বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি , ২০২০. ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ,
Home অপরাধ জগত সাপাহারে ইয়াবা’র বিকল্প এখন ঔষধ ফার্মেসীতে : ধ্বংসের পথে যুবসমাজ

সাপাহারে ইয়াবা’র বিকল্প এখন ঔষধ ফার্মেসীতে : ধ্বংসের পথে যুবসমাজ

সাপাহারে ইয়াবা’র বিকল্প এখন ঔষধ ফার্মেসীতে : ধ্বংসের পথে যুবসমাজ
Spread the love

সারোয়ার হোসেন,, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলা’র সীমান্তবর্তী উপজেলা সাপাহারে সর্বনাশা ইয়াবা-হেরোইন এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানির ব্যাথানাশক কিছু ট্যাবলেট। যার ভয়াবহ নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে এলাকার প্রায় অধিকাংশ তরুণ ও যুবক। এমনকি এ ভয়াবহ নেশায় আসক্ত হচ্ছে ছাত্র সমাজ পর্যন্ত বলে বিশেষ সুত্রে জানা গেছে।
বিশেষ করে মাদকসেবীদের একটি বড় অংশ টেপেন্টাডল (৫০ এমজি), পেন্টাডল (৫০ এমজি), পেন্টাডল (৭৫ এমজি), পেন্টাডল (১০০ এমজি), সিনটা (৫০ এমজি), নোপেন্টা (৫০ এমজ) সহ বিভিন্ন ঔষধের নেশা’য় আসক্ত হয়ে পড়ছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো জানান, সাপাহার উপজেলা সদরে ঔষধ ফার্মেসীগুলোতে দেদারছে বিক্রি করা হচ্ছে ভয়াবহ এসব ট্যাবলেট। একশ্রেণীর অসাধু ঔষধ ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় ফার্মেসী ব্যাবসার আড়ালে চিকিৎসকের কোন প্রকার ব্যবস্থা পত্র ছাড়াই ওই ঔষধগুলি বিক্রয় করছে।এসব ক্রয়ে কোন বাঁধা না থাকায় খুব সহজেই এসব ঔষধ হাতের লাগালে পাচ্ছে তরুণ যুবক সহ শিক্ষার্থীরা। প্রথম কৌতুহল বশত: ঘুম না হওয়া, শরিরের ব্যথা অনুভব সহ বিভিন্ন হতাশা দূর করার কথা বলে এসব ট্যাবলেট ব্যবহার করে রীতিমত আসক্ত হয়ে পড়ছে তারা। আসক্তি’র কারনে যেমন বাড়ছে স্বাস্থ্য ও অর্থ ঝুঁকি ধ্বংস হচ্ছে তাদের আগামীর জীবন সে সাথে চলছে পরিবারে অশান্তির ঘণঘাটা। এসব ঔষধ সেবনে অনেকে হারিয়ে ফেলতে পারে মানসিক ভারসাম্য বলে জানা গেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলা সদরের মেইন রোড, হাসপাতাল রোড, তিলনা রোড সহ বাজারের বিভিন্ন মোড়ে এবং রোডে অবস্থিত ঔষধ ফার্মেসীগুলোতে দেদারছে বিক্রি করা হচ্ছে এসব ঔষধ। এসব ঔষধের দাম গড়ে ১০-১১ টাকা। কিন্তু বাজারে সংকট সৃষ্টি হওয়ার ফলে ৮০-১০০ টাকাও নেয় ফার্মেসি মালিকেরা।
পরিবারের অগোচরে এসব ঔষধ সেবনে আসক্ত হয়ে পড়ছে এলাকার উঠতি বয়সের তরুণ ও যুব সমাজ। এ ধরণের মাদকাসক্তি নিরাময়ে শিঘ্রই সামাজিক পারিবারিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সহ এসব অসাধু ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর আইনী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকার ভুক্তভুগী পরিবারগন।
এ ব্যপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ রুহুল আমিনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, এসব ঔষধ গুলো রোগের জন্য নিঃসন্দেহে ভালো। কিন্তু এসব ঔষধ যদি অবৈধ পন্থায় বিক্রয় ও অপব্যাবহার করা হয় তাহলে এর সাথে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।


Spread the love