রবিবার, ২৯ মার্চ , ২০২০. ৭:১১ অপরাহ্ণ,
Home অপরাধ জগত ধোপাজান নদীতে বড় জাহাজ বা কার্গো প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা বহাল ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়ে অভিযোগ

ধোপাজান নদীতে বড় জাহাজ বা কার্গো প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা বহাল ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়ে অভিযোগ

ধোপাজান নদীতে বড় জাহাজ বা  কার্গো প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা বহাল ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়ে অভিযোগ
Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার: সুনামগঞ্জের ধোপাজান চলতি নদীতে বলগেট/কার্গো/স্টিমার ও বড় জাহাজ প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা বহাল ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে হুরারকান্দা, অক্ষয়নগর,কাইয়ারগাও সহ বিভিন্ন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, মেরিন আইন অনুযায়ী শাখা নদীতে বলগেট/কার্গো/ স্টিমার প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইব্রাহিমপুর গ্রামের কিছু দুষ্টু ও সন্ত্রাসী লোকের ছত্রছায়ায় বলগেট/কার্গো/ বড় জাহাজ থেকে অবৈধ ফায়দা নিয়ে ঢুকাচ্ছে এবং স্থানীয়দের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট চাঁদাবাজীর অভিযোগ দিয়ে হয়রানী করছে। বড় জাহাজ ও কার্গো শাখা নদীতে প্রবেশ করলে হাজারো  কৃষকের ফসলী জমি, বাড়ীঘর, স্থাপনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। জাহাজের প্রবল ধাক্কায় প্রতিদিনই কোন না কোন ঘরবাড়ী কিংবা ফসলী জমি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের ব্যবসায়ীদের স্বার্থে  গত জৈষ্ঠ মাসে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে পুলিশ সুপার, র‌্যাব, ভুমি কর্মকর্তা, স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় উজানে সংরক্ষিত বালি পাথর সরবরাহের জন্য ৪০ দিনের জন্য উন্মুক্ত রাখার নিদের্শ দেন জেলা প্রশাসক। তৎপ্রেক্ষিতে ব্যবসায়ীরা তাদের বালি পাথর বিক্রি করে লাভবান হয়েছেন। বর্তমানে কিছু অসৎ ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের স্বার্থের জন্য প্রতিদিনই ৫০/৭৫টি বড় জাহাজ/কর্গো/বলগেট প্রবেশ করে মারাত্মক ক্ষতি করছে। আর এদের প্রতিহত করতেই এলাকাবাসীর উদ্যোগে বলগেট/কার্গো/জাহাজ যাতে শাখা নদীতে প্রবেশ করতে না পারে প্রতিরোধ মুলক ব্যবস্থা গ্রহন করেছে স্থানীয়রা। এই প্রতিরোধমুলক ব্যবস্থাকে প্রকৃত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা প্রশাসনকে ভুল বুজিয়ে সাধারন মানুষকে হয়রানী করার অপচেস্টা করছের। এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষে মো: ফজলুর রহমান জানান, আমাদের ঘরবাড়ী, জমি-জমা, স্কুল মসজিদ ঠিকিয়ে রাখতে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধমুলক ব্যবস্থা গ্রহন করছি। আর এটাকে স্বার্থান্বেসী মহল চাঁদাবাজী উল্লেখ্য করে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে আমাদের হয়রানী করছেন। আমরা প্রকৃত ঘটনাটি  জানিয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, র‌্যাবসহ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করেছি এবং প্রকৃত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবী জানিয়েছি। হুরারকান্দা গ্রামের রুস্তম আলী জানান, ধোপাজান নদীতে বড় জাহাজ প্রবেশ করলে আমাদের সমূহ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। আর এগুলো সুরমা নদীতে থাকলে ছোট ছোট নৌকা দিয়ে জাহাজ লোড করা হলে একদিকে যেমন পরিবেশের জন্য ভাল হবে অন্যদিকে এলাকার হাজারো শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃস্টি হবে এবং চুরি ডাকাতি বন্ধ হবে। অন্যথায় দেশে আইনশৃংখলার চরম অবনতি দেখা দিতে পারে। মনিপুরী হাটির ব্যবসায়ী জামাল মিয়া জানান, আমরা চাই বড় বড় জাহাজ বলগেট সুরমা নদীতে থাকুক এবং ছোট ছোট নৌকা দিয়ে বালি পাথর পরিবহণ করে সাধারন শ্রমিকের কর্মংস্থানের সুযোগ সৃস্টি হউক। বড় বড় জাহাজ প্রবেশের কারণে হাজার হাজার ছোট নৌকা অকেজো হয়ে পড়ে অন্তত ২০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে  সদর থানার ওসি মো: শহিদুর রহমান জানান, এলাকাবাসীর একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 


Spread the love