রবিবার, ২৯ মার্চ , ২০২০. ৫:০৩ অপরাহ্ণ,
Home অপরাধ জগত হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বাচাঁনোর পায়তারা

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বাচাঁনোর পায়তারা

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বাচাঁনোর পায়তারা
Spread the love

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে পরিকল্পিতভাবে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে গুজব রটিয়ে, মিথ্যা ফতোয়া দিয়ে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির পায়তারা করছে একটি ধর্মব্যবসায়ী গোষ্টি। গত শুক্রবার বাদ জুম’আর খুতবায় হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে নানান গুজব ও মনগড়া তথ্য উপস্থাপন করে সাধারন মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি করছে। সুত্র জানায়, জুম’আর নামাজের খুতবায় হেযবুত তওহীদের সদস্যদের কাফের, মুরতাদ, অমুসলিম ইত্যাদি ফতোয়া দিয়ে তাদেরকে হত্যার হুমকি দেয়ায় হেযবুত তওহীদের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। এ বিষয়ে নিরাপত্তা চেয়ে হেযবুত তওহীদের পক্ষে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।  তাতে হিতে বিপরীত হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে। মামলার বাদীকে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দেয়া হচ্ছে। মামলা তুলে না নিলে বাদীকে হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন ঐ মৌলবাদী চক্রটি। হবিগঞ্জ জেলা হেযবুত তওহীদের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে হেযবুত তওহীদ মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করতে সারাদেশে ব্যাপক কর্মসূচি পালন করছে হেযবুত তওহীদ। ফলে ধর্মব্যবসায়ীদের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা।  তাই তারা হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে উঠে-পড়ে লেগেছে। শুধু হবিগঞ্জেই নয় নিজেদের কৃত অপরাধকে আড়াল করতে দেশের অন্যান্য জেলাতেও মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করার পায়তারা করছে ঐ মৌলবাদী গোষ্টি। যেখানে হত্যা, হত্যার হুমকি, ধর্ষণের হুমকিসহ মারাত্মক সাইবার অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে প্রকাশ্যে তারা মানববন্ধনসহ নানান কর্মসূচী পালন করে আসছে। একাধিক সূত্র জানায়, সম্প্রতি নোয়াখালী জেলার নাথেরপেটুয়া এলাকায় ‘ঈমান-আকীদা সংরক্ষণ কমিটি’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে অনুরূপ মানববন্ধন করে ঐ জঙ্গি গোষ্টি। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে ‘ইসলামী আকীদা সংরক্ষণ পরিষদ’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন করে তারা। এসব মানববন্ধন থেকে তারা হেযবুত তওহীদকে হেয় প্রতিপন্ন করে নানান উস্কানিমুলক বক্তব্য দিয়ে আসছেন,যাতে হেযবুত তওহীদের সদস্যদেরকে কাফের, মুরতাদ, অমুসলিম ইত্যাদি ফতোয়া জারি করছেন। হেযবুত তওহীদের  কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমান জানান, ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ একশ্রেণির ধর্মব্যবসায়ী আমাদের সংগঠনের বিরুদ্ধে মিথ্যা, গুজব রটিয়ে সাধারণ মানুষকে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলেন। যার কারণে সেদিন নোয়াখালীতে দুইজনকে পিটিয়ে, চোখ উপড়ে ফেলে, হাত-পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয় এবং তাদের মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়। এ হত্যা মামলার চার্জশীট দায়েরের পূর্ব মুহুর্তে সারা দেশে ঐ ধর্মব্যবসায়ীরা পুলিশের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অংশ হিসেবে এ সব মানববন্ধনসহ অন্যান্য কর্মসূচী পালন করছে। হেযবুত তওহীদ প্রতিষ্ঠার ২৪ বছরে দেশ-জাতি-মানবতার কল্যাণে কাজ করছে এই সংগঠন। সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, ধর্মব্যবসা, ধর্ম নিয়ে অপরাজনীতি, নারীর অধিকার, মাদক ইত্যাদি সামাজিক সমস্যা নিয়ে কাজ করছে হেযবুত তওহীদ। অথচ ধর্মব্যবসায়ীরা তাদের মনববন্ধনে সেই হেযবুত তওহীদকেই নিষিদ্ধের দাবি তুলছে। বিষয়টি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও হাস্যকর। আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী আরও সচেতন হবে এবং এ ধরণের ষড়যন্ত্রকারীদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে।

 


Spread the love